COPY-PASTE (Ctrl+C , Ctrl+V)

Got a call from my good friend Sajib, “Can u do the thing you did last winter?” I wasn’t stupid enough to think that he meant about my ‘darker’ doings. So , I checked my schedule and confirmed him quite instantaneously.
Along the two days’ assignment of Chocolight for IBA graduation program’s studio portrait session, I got to meet some old friends from Notre Dame College, some from Textile Engineering College and, of course, made some new ones. But aside from that I met an energetic team of upcoming entrepreneurs who are working their days and nights to  make the IBA Graduation Event successful. May be I don’t comprehend everyone of their own agenda toward life, future & career , but I surely know they are enthusiast about what they do. This post is to dedicate my IBA friends, both old & new ones, on a job well done and for many to come.

Graffiti of the production titled "Copy- Paste" from IBA:  MBA , Batch 46.

Graffiti of the production titled “Copy- Paste” from IBA: MBA , Batch 46.

The inspiration behind the graffiti. Who needs color when feelings are loud enough!

The inspiration behind the graffiti. Who needs color when feelings are loud enough!

Let there be color!

It was long due. A wedding just to watch, enjoy n do masti but not bound to shoot. It was the Holud ceremony of our beloved teacher & brother Tanzim bhai and sweet Prithi bhabi. An event packed with shy faces of Tanzim bhai & bhabi, masti with Pathshala buddies and, of course, the food (yummy!). Anyway, it’s just wonderful that these black n white lovers have found color in each others lives and as the ritual suggests they complete each other. We congratulate them & wish nothing but the best.

Let there be color!

Let there be color!

Moments like this

I started shooting events, specially weddings,  for near about 3-4 years now. At first, it was so exciting! It was like  having the power to control what my clients and their next generations will see about this very day. It was like, ” You know! I can make you look good in your memories.” But as time passed, the godlike feeling got a little blunt. I still get excited to shoot if there is anything “new” about a wedding event. But that happens very less now-a-days. Only a few moments of a few events now keep the urge of shooting events-“charged”.

From the wedding of Rumi Karim & Ulfat Obaidi

From the wedding of Rumi Karim & Ulfat Obaidi

“নিশ্চিন্তপুর!!”

Author: SADIA MARIUM

“নিশ্চিন্তপুর!!”

২৪ নভেম্বর, ২০১২। আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের বাতাস ভারী, লাশের গন্ধে। টেলিভিশনের সামনে বসেছিলাম, একের পর এক চ্যানেল-মানুষগুলোর কান্না, আর্তনাদ, সংবাদপত্রের ভয়াবহ ছবি; মাথার ভেতর ঘুরপাক করছিলো দিনভর। নিজের অজান্তেই কেঁদেছি, গালিগালাজ করেছি “তাজরিন গার্মেন্টস” এর মালিক, প্রশাসন, সরকার, বিজিএমইএ এর সভাপতি কে।মনটা শান্ত হচ্ছিলোনা কোনোভাবেই। জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছে করছিলো সবকিছু। রাস্তায় রাস্তায় চিৎকার করতে ইচ্ছে হচ্ছিলো। ভাবছিলাম, শব্দ কিংবা ছবিতে অনুভূতি বা মুহূর্ত বন্দি করবার চেয়ে, যদি আমার হাতে মশাল থাকতো, তবে আগুনে ঝলসে দিতাম নিষ্ঠুর, স্বার্থান্বেষী পশুগুলোর জীবন্ত শরীর। এমন দুঃসাহসিক ইচ্ছেগুলো-ই একসময় “অযৌক্তিক, অবান্তর” হয়ে ওঠে সাহসের অভাবে। আমার মধ্যবিত্ত মন দুঃসাহসী হতে ভয় পায়-শান্তিচ্যুতি হবে জেনে।

হ্যাঁ-সাহস নেই আমার; আমি শিখেছি কি করে চুপ থাকতে হয়। কি করে নিজের ঘর “শান্তিময় ও স্নিন্ধ” করে রাখা যায়, যখন পৃথিবী পুড়ে ছারখার। রাগে ফুঁসে ওঠা আমি-ই প্রতিদিনকার নানান অন্যায় দেখেও না দেখবার ভান করি, সংবরণ করি, শান্ত করি নিজেকে; মিথ্যে নির্ঝঞ্ঝাট জীবনের লোভে। রাগ, ক্রোধ আমার আটপৌরে জীবনের হেঁসেলে ঢুঁকে ধোঁয়া হয়ে মিশে যায় হাওয়ায়।

আমি জানি, নিশ্চিন্তপুরের হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ী-“আমি”।আমি-ই তালাবদ্ধ করেছি শত শত প্রান, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছি রক্তমাংসের অনুভূতিপ্রবণ মানুষগুলো কি করে পরিণত হচ্ছে সংখ্যায়।১১১ কিংবা ১১১১-কে তারা, চিনি কি তাদের? মরিয়ম, জুলেখা, কাদের, শারমিন, মারুফ…কোনো অর্থ  কি বহন করে নামগুলো? আমি আনন্দিত হই বেঁচে আছি বলে, আমার বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী, সন্তান, বন্ধু-বান্ধব ভালো আছে ভেবে। সব কিছুকে “দুঃস্বপ্ন” তকমা লাগিয়ে ফিরে যাই দৈনন্দিনের পরিচিত গন্ডিতে, ভালোবাসার মানুষ কে বুকে জড়িয়ে নিশ্চিন্ত ঘুম দেই।

চলুন আমরা আরো পাষন্ড হই, বোধহীন নির্মম হই, দুর্ঘটনা ভেবে-ভুলে যাই যা ঘটেছে।

নিশ্চিন্তপুর জ্বলুক, জ্বলুক তামাম দুনিয়া, আমরা স্বার্থপরেরা ভালো থাকি।

“পৃথিবীতে শান্তি বজায় থাকুক”।

Longings…

I wish I had someone to take my photo with them- my brother & my father.

I was in high school when my father gave me the idea of writing a diary. Soon, I started writing about how awful the weather was, how hard I got beaten by my teacher, about the boy I abhorred and even about the girl I started to like! But after several different encounters I understood that some thoughts were better be kept hidden and I left writing my diary.

Finished my study at  school, college and graduation in engineering as well.Along the way, I have lost that childish innocence, I have “evolved”. I have encountered things. Things I am ashamed of, things I can be proud of, things that make me numb and things that make me scream. The delirium gets stronger and it’s needed to be channeled. Channeled in a way that can be shown, touched and felt.

I am an observer and this blog is the evidence of my observations & absorptions.